উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘জুয়েল’

প্রকাশিত: ৯:২২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২৫

তিমির বণিক:

জেলা,উপজেলা ও জাতীয় পত্রিকা/অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে আগে থেকেই শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা জুয়েল মিয়া একই কথা বলে আসছেন যে,”আমি দুই বছরের জন্য বড়ছড়া লিজ এনেছি। বড়ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. মছদ্দর আলী আমার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছেন। আমি তাদের ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়েছি। তারপরও আমার লিজ নেওয়া বালুর ঘাট তারা বন্ধ করে দিয়েছেন। আমি একাধিক মামলার কারণে এখন আত্মগোপনে আছি। আমি কীভাবে বালু উত্তোলন করছি?”

” শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন,আবাদি জমি সহ ব্লুইসগেট হুমকির মুখে” এমন শিরোনামে সম্প্রতি অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এমতবস্থায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচাউন গ্রামের মোঃ মনু মিয়ার ছেলে মোঃ জুয়েল মিয়া প্রকাশিত উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানান ও যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

 

জুয়েল মিয়া বলেন;’ আমার দৃষ্টি গোচর হওয়ার পর খেয়াল করে সবকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও পত্রিকা সহ ভিডিও প্রতিবেদন দেখি’।

‘সংবাদটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে,’মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের শহরশ্রী গ্রামের বড়ছড়া এলাকা থেকে আমি নেতৃত্ব দিচ্ছি,এমন একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সুইসগেট,সরকারি সেতু ও চা বাগানের প্লান্টেশন টিলার ক্ষতি করছে। এই সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

 

কারণ;’সরকারি অনুমোদন ও যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমি বড়ছড়া সিলিকা বালু কোয়ারির ইজারা গ্রহণ করেছি। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অনুমোদনক্রমে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) কর্তৃক ইজারা চুক্তি ১১ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে কার্যকর হয় এবং নিয়ম মেনে ২ বছরের জন্য আমাকে এই কোয়ারির দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এছাড়া পরিবেশগত ছাড়পত্রসহ অন্যান্য নিয়মনীতি পরিপালন করেই আমি বালু উত্তোলন করছি’।

 

সংবাদে উল্লেখিত সুইসগেট,সরকারি সেতু ও চা বাগানের প্লান্টেশন টিলা থেকে আমার ইজারাকৃত এলাকা দেড় কিলোমিটার দূরে। ফলে এসব অবকাঠামো ক্ষতির অভিযোগ সঠিক নয়। বরং,কিছু ব্যক্তি আমার নিকট চাঁদা দাবি করে। তাদের চাহিদা পূরণ না করায়,তারা ষড়যন্ত্র করে আমাকে হেনস্তার চেষ্টা করতেছে।

 

সম্প্রতি আমার তত্ত্বাবধানে থাকা বালুর সুরক্ষায় নিয়োজিত ম্যানেজারকে ভুয়া পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে,যা পরবর্তীতে মিথ্যা সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হয়।

 

আমি অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে অনুরোধ করছি ভবিষ্যতে বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক সংবাদ প্রকাশ করতে। আমি আশাকরি সংবাদ মাধ্যম কর্মীরা নিরপেক্ষ ও সঠিক তথ্যসুত্রের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করবেন

সিলেট প্রতিদিন/এসডি.