হাসিনুজ্জামান মিন্টু (ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি):
আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দেশব্যাপী নানা আয়োজনে দিনটি উদ্যাপিত হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলাতেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়েছে।
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি,আধাসরকারি,স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনগুলোতে উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলো সজ্জিত হয়েছে আলোকসজ্জায়। ঠাকুরগাঁও শহরের দৃশ্যমান ভবনগুলোতেও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনা হয়।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন করে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা, বসানো হয়েছে সিসিটিভি ও ওয়াচ টাওয়ার। পুরো এলাকা রাখা হয়েছে সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায়।
সকালে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। এরপর জেলা প্রশাসক স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পর্যায়ক্রমে মুক্তিযোদ্ধা,শহীদ পরিবার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
একইসঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায়ও পালিত হচ্ছে দিবসটি। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষার্থীদের সমাবেশ ও কুচকাওয়াজের মাধ্যমে আয়োজনগুলোকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
এ উপলক্ষে শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা ও বর্ণিল ব্যানারে সজ্জিত করা হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন হিসেবে আজ নানা প্রতিষ্ঠান আয়োজন করেছে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন পক্ষ থেকে বাণী প্রদান করা হয়েছে।
সিলেট প্রতিদিন/এসডি.